jobs

বীমা কর্মী হওয়ার আগে করণীয়?
বীমাতে কাজ করার আগে আমাকে অবশ্যই তিনটা বিষয় শিখে কাজে নামতে হবে ।

Mind Set: শুধু বীমা নয়, যে কোনো কাজের জন্যই আপনাকে আগে Mind Set করে নিতে হবে । আর বীমাতে আরও বেশি সেট করে নিতে হবে, হাজারো না এর মধ্যে আপনাকে কাজ করতে হবে । আর এই না এর উত্তর আপনার কাছে থাকতে হবে । আপনি কতটুকু সফল হবেন এটা নির্ভর করবে আপনি কতটুকু নিজেকে তৈরি করেছেন তার উপর ।

Marketing: পুরো বিশ্ব চলে মার্কেটিং এর উপর । তাই প্রতিটা সেক্টরেই মার্কেটিং টিমটা খুব দক্ষ থাকে । যার মার্কেটিং টিম যত বেশি মজবুত, সেই কোম্পানি তত বেশি সফল । সুতরাং আপনাকে মার্কেটিং শিখতে হবে ।

জীবন বীমা কি?
কেন জীবন বীমা করবো?
লাইফে সিকিউরিটি কেন দরকার?
প্রিমিয়াম কি? কিভাবে ক্যালকুলেশন করা হয়?
পলিসি কি?
কোন পলিসি আমার জন্য ভালো? এই ব্যাসিক প্রশ্ন গুলো আমাদের জানতে হবে ।

Monetization: টাকা ইনকাম করার ইচ্ছে যার এই ইচ্ছেটা নেই তার বীমাতে কাজ করার দরকার নাই । একজন FA ঠিক মত কাজ করলে মাসে ১,০০,০০০ টাকা ইনকাম করা তার জন্য কোনো ব্যপার না । ধরুন আমি SSC পাস একজন ছেলেকে এক কোম্পানিতে জবের জন্য রিকমেন্ডেশন করলাম । কোম্পানি তাকে কতটাকা দিবে? বড়জোড় ১০ হাজার টাকা । আর একজন দক্ষ FA হতে পারলে ১০,০০০ টাকা তার কাছে পানি পান্তা ।

তাহলে, এই তিনটা বিষয় যদি পজিটিভ হয়, তাহলে একদিনও সময় নষ্ট না করে বীমাতে যোগদান করুন । আর একটা বিষয়, ক্রমবর্ধমান ইন্ডাস্ট্রি যদি থাকে সেটা হলো বীমা । আর ব্যাংক এবং বীমাকে যদি গুরুত্ব না দেওয়া হয় তাহলে দেশে অলস মানিটা বেশি হবে । আর অলস মানিতে আশাকরি সুফলের চেয়ে কুফলই বেশি । একবার কি চিন্তা করে দেখেছেন যদি বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিনত হয় তাহলে শ্রম বাজারে কি প্রভাব পড়বে? এক্সপোর্ট সকল পণ্যের উপর শুল্ক আরোপ করা হবে । এক্সপোর্ট কমে যাবে মানে পোশাক কারখানার উপর প্রভাব পড়বে । বিভিন্ন NGO বন্ধ হয়ে যাবে । মানে হাজার হাজার লোক বেকার হবে । আর ভরি ভরি GPA-5 পাওয়া ছেলেদের কোন খাতে কাজে লাগাবেন? বড় বড় শিল্প প্রতিষ্ঠান যে তৈরি হয়, কার টাকা দিয়ে তৈরি হয়? এক কথায় উত্তর ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান । আর তাদের সিকিউরিটি কে দেয়? বীমা প্রতিষ্ঠান ।

তাহলে গুরুত্ব কাকে বেশি দেওয়া দরকার? ইন্ড্রাস্ট্রিতে সমস্যা থাকলে সেটা সমাধান করতে হবে । আর এটাই বুদ্ধিমানের কাজ । আর বীমা হচ্ছে এমন একটা সেক্টর যেখানে পারিবারিক সেক্টর থেকে শুরু করে দেশের চালিকা শক্তি পর্যন্ত কাজ করে । সুতরাং এটাকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া প্রতিটা ব্যক্তির একান্ত দায়িত্ব । যদি Re investment Cycle না পরে থাকেন তাহলে পড়ে নিবেন । আমরা কোনো কমেন্ট করার আগে অবশ্যই সেটা নিয়ে স্টাডি করে দেন কমেন্ট করবো । বাংলাদেশের জীবন বীমা সেক্টরকে লাইফ ইন্স্যুরেন্স ঢেলে সাজানোর কাজে সর্বদা কাজ করে যাচ্ছে । কোনো কথা বলার অপশন থাকবে না । ইনশাল্লাহ।।

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি! 

কিছু শিক্ষীত বেকার ছেলে / মেয়ে কে পাট-টাইম জব এর জন্য নিয়োগ দেওয়া হবে । "ফিনিন্সিয়াল এসোসিয়েট" (FA) হিসাবে আজই যোগদান করে নিজের ক্যারিয়ার গঠন করুন । 

সুবিধা সমূহঃ #কমিশন, #টার্গেট বোনাস, #ত্রৈমাসিক বোনাস, #গ্রুপ কাভারেজ, #পেনশন, #মেডিকেল সুবিধা, #গাড়ি সুবিধা, #বিদেশ ভ্রমণ, #দেশ ভ্রমণ ও সুবিধা আছে । 
১। যোগ্যতা: SSC পাশ । 
২। বেতন: কমিশন ভিত্তিক। 
৩। অফিস ডিউটি: পাট টাইম । 
৪। পদের নাম: ফিনিন্সিয়াল এসোসিয়েট । 
৫। অভিজ্ঞতা না থাকলে ও চলবে। তবে কাজ করার জন্য আগ্রহী থাকতে হবে । 
৬। অফিস ফিল্ড সব জায়গায় কাজ করার মন- মানসিকতা থাকতে হবে । 
৭। একজন বিমা প্রতিনিধি প্রদান কাজ, মানুষ কে বিমা, ডিপিএস, করানো এবং বিমা বিষয়ক সচেতনতা ও সুপরামর্শ প্রদান করা । 
৮। অভিজ্ঞতা সম্পন্নদের অগ্রাধিকার প্রদান করা হবে এবং অন্যান্য সুযোগ সুবিধা দেওয়া হবে । 
৯। অগ্রহী প্রাথীগন কে সাটিফিকেট ফটোকপি, জাতীয় পরিচয় ফটোকপি এবং ১০ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবিসহ অফিসে আসার জন্য অনুরোধ করা হল । 

বীমা প্রস্তাব কী? 
বীমা গ্রহণের নিমিত্ত বীমাগ্রহিতা লিখিতভাবে বীমাকারীর নিকট যে আবেদন করে তাই বীমা প্রস্তাব । সাধারণতঃ বীমাকারী প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত ছাপানো কাগজে বীমা প্রস্তাব করা হয় । যেখানে বীমাগ্রহিতার নাম, পিতার নাম, মাতার নাম, পেশার বিস্তারিত বিবরণ, জন্ম তারিখ, স্থায়ী ঠিকানা, বর্তমান ঠিকানা, বীমার তালিকা ও মেয়াদ, বীমা অংক, প্রিমিয়ামের পরিমাণ, প্রিমিয়াম পরিশোধ পদ্ধতি, আয় ও আয়ের উৎস মনোনীতকের নাম, বয়স, সর্ম্পক, গ্রাহকের স্বাক্ষর, আবেদনের তারিখ, স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য ইত্যাদি লিপিবদ্ধ থাকে । 

বীমা চুক্তি করতে হলে বীমাগ্রাককে কী কী তথ্য ও কাগজপত্র দিতে হয়? 
বীমা চুক্তি করতে হলে বীমা গ্রাহককে যে সব তথ্য ও কাগজপত্র দিতে হয় তা হলো:- 
বীমা গ্রাহকের নাম ও ঠিকানার বিস্তারিত বিবরণ দাখিল করতে হয় । বীমা গ্রাহকের পেশার বিস্তারিত বিবরণ ক্ষেত্র বিশেষ গ্রাহকের পেশার প্রমাণক দাখিল করতে হয়। বীমা গ্রাহকের আয়ের বিস্তারিত বিবরণ ক্ষেত্র বিশেষ আয়ের প্রমাণক দাখিল করতে হয় । বীমা গ্রাহকের পেশাগত ঠিকানা দাখিল করতে হয় । বীমা গ্রাহকে বয়সের প্রমাণক দখিল করতে হয় । বীমা গ্রাহক ও মনোনীতকের পাসর্পোট সাইজের ছবি দাখিল করতে হয় । সুস্বাস্থ্যের প্রমাণক হিসাবে মেডিকেল / নন মেডিকেল রির্পোট দাখিল করতে হয় । বড় অংকের বীমা/ বয়স অনুসারে মূত্র পরীক্ষার রিপোর্ট, ECG রিপোর্ট, এক্স-রে রিপোর্ট ও রক্ত পরীক্ষার ভিন্ন ভিন্ন রিপোর্ট দাখিল করতে হয় । বিদেশে কর্মরত ব্যক্তিদের পাসপোর্টের সত্যায়িত ফটোকপি এবং সর্বশেষ বাংলাদেশ আগমনের সীলযুক্ত পাসর্পোট পৃষ্ঠা দাখিল করতে হয় । 

বীমা গ্রাহককে কী কী বিষয় যাচাই করতে হয়? 
বীমা গ্রাহককে সাধারনতঃ 
নিম্নলিখিত বিষয় গুলো যাচাই করতে হয়ঃ- 
প্রস্তাবপত্রের সকল তথ্য সঠিক ও নির্ভুলভাবে লিপিবদ্ধ হয়েছে কিনা। বীমা প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সক্ষমতা বা সামর্থ যথেষ্ট কিনা। বীমা দলিলে সকল তথ্য সঠিকভাবে লিপিবদ্ধ হয়েছে কিনা। বীমা প্রতিষ্ঠানের বিক্রয় প্রতিনিধির যথাযথ নিয়োগ পত্র রয়েছে কিনা। 

বীমা চুক্তি কী? 
মানুষের জীবন অথবা সম্পদের সম্ভাব্য ঝুঁকি স্থানান্তরের নিমিত্ত বীমাগ্রহিতা ও বীমাকারীর মধ্যে যে চুক্তি সম্পাদিত হয় তাকে বীমা চুক্তি বলে । বীমা চুক্তির ক্ষেত্রে বীমাগ্রহিতা নিদিষ্ট মেয়াদে কিস্তি বা প্রিমিয়াম পরিশোধের বিনিময়ে ঝুঁকি স্থানান্তর করে এবং বীমাকারী প্রিমিয়াম গ্রহণের মাধ্যমে নিদিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত ঝুঁকি গ্রহণ করে । অর্থাৎ কোন সম্ভাব্য দূর্ঘটনার ফলে যদি বীমাগ্রহিতার সম্পদের ক্ষতি হয় হয়, অথবা জীবনের মৃত্যু অথবা জীবন বীমার মেয়াদ শেষে বীমাগ্রহিতাকে অথবা তাঁর মনোনীতক কে বীমাকারী কর্তৃক নির্ধারিত পরিমান অর্থ পরিশোধ করার চুক্তিই হলো বীমা চুক্তি । 

বীমা পরিকল্প কী? 
বীমা ও বীমা গ্রাহকের মধ্যে বীমা কোম্পানী নির্দিষ্ট প্রিমিয়ামের বিনিময়ে কি কি ঝুঁকি গ্রহণ করবে অর্থ্যাৎ বীমা গ্রাহককে কি কি সুবিধা প্রদান করবে, কি কি সুবিধা প্রদান করবে না, কি কি বিষয়গুলো ঝুঁকির মধ্যে থাকবে না, বিভিন্ন শর্তাবলি ইত্যাদি উল্লেখপূর্বক অ্যাকচ্যুয়ারি কর্তৃক যে স্কীম তৈরি করা হয়, উক্ত স্কীমকে বীমা পরিকল্প বলে । উদাহরণ: মেয়াদী পরিকল্প, সাময়িক পরিকল্প । 

লাভজনক / অলাভজনক/টার্ম পরিকল্প কী? 
লাভজনক পরিকল্প: যে জীবন বীমা পলিসির ক্ষেত্রে মেয়াদ শেষে বীমা গ্রহীতাকে বীমাকৃত অর্থের সাথে লভ্যাংশ বা বোনাস প্রদান করা হয়, তাকে লাভজনক বীমা পলিসি বা লাভজনক পরিকল্প বলে ।

অলাভজনক পরিকল্প: যে জীবন বীমা পলিসির ক্ষেত্রে মেয়াদ শেষে বীমা গ্রহীতা শুধুমাত্র বীমাকৃত অর্থ পেয়ে থাকে, তাকে অলাভজনক বীমা পলিসি বা অলাভজনক পরিকল্প বা বোনাস বিহীন পরিকল্প বল হয় । এইরূপ বীমা পরিকল্পের প্রিমিয়াম হার খুবই কম হয়ে থাকে । 

টার্ম পরিকল্পঃ এরূপ বীমা পরিকল্পে বীমাচুক্তির মেয়াদের মধ্যে বীমা গ্রহীতার মৃত্যু হলেই বীমাকৃত টাকা পরিশোধ করা হয়, মেয়াদের শেষ পর্যন্ত বীমা গ্রহীতা বেঁচে থাকলে কোন আর্থিক সুবিধা প্রাপ্য হন না ।এই ধরনের বীমা পরিকল্পনায় প্রিমিয়ামের হার অত্যন্ত কম থাকে ।

2 comments:

  1. বিস্তারিত জানতে 01746 623859

    ReplyDelete
  2. bd01734229086@gmail.com

    ReplyDelete